,

ThemesBazar.Com

‘অপারেশন জ্যাকপট’ শুরু ১৬ সেপ্টেম্বর

মুক্তিযুদ্ধে সমুদ্রবন্দর ও প্রধান প্রধান নদীবন্দরে নৌ-কমান্ডোদের একযোগে পরিচালিত সফল অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে চলচ্চিত্র। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এ চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

গিয়াস উদ্দিন সেলিম চলচ্চিত্রটির পরিচালনা করবেন। প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ‘অপারেশন জ্যাকপট’ চলচ্চিত্রটির মহরত হবে। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনাকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করবে। রোববার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

 

‘অপারেশন জ্যাকপট’ অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল দেশের সমুদ্র ও নদীবন্দরগুলো অকার্যকর করে দেওয়া, যাতে করে পশ্চিম পাকিস্তানিরা সমুদ্র ও নৌপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) সহজে আক্রমণ করতে না পারে। অপারেশন জ্যাকপটের চূড়ান্ত তারিখ ছিল পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে। মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নৌ-কমান্ডোরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমুদ্রবন্দর ও প্রধান প্রধান নদীবন্দরে একযোগে অভিযান চালান। আকাশবাণী রেডিওতে প্রচারিত ‘আমার পুতুল আজকে যাবে প্রথম শ্বশুরবাড়ি’ গানটি ছিল কমান্ডোদের জন্য এই অভিযানের সংকেত। এ অভিযানের বিশালতা ও ক্ষয়ক্ষতি ছিল ব্যাপক, যা পাকিস্তানসহ বিশ্বকে হতভম্ব করে দেয়। বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই অভিযানের খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল। এতে করে পৃথিবীর মানুষ বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পশ্চিম পাকিস্তানিদের অত্যাচারের কথা জানতে পারে।

 

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিমূলক সভা হয়

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিমূলক সভা হয়

 

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন) মো. জাফর আলম, চলচ্চিত্রটির পরিচালক গিয়াসউদ্দিন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।

 

‘মনপুরা’ ও ‘স্বপ্নজাল’-এর পর এটি হবে গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় তৃতীয় ছবি। এর পান্ডুলিপি তৈরি করেছেন তিনিই। মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান ও নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসী অভিযানকে স্মরণীয় করে রাখতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হবে ছবিটি।

ThemesBazar.Com

     আরও সংবাদ