,

ThemesBazar.Com

লিটন আশা হারাননি

ওয়ানডে সিরিজে বসে বসে কেটেছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সুযোগ পেলেও প্রথম দুই ম্যাচে ভালো করতে পারেননি। লিটনের অসাধারণ ব্যাটিং দেখা গেল ফ্লোরিডায় সিরিজনির্ধারণী টি-টোয়েন্টিতে। ফাইনালে রূপ নেওয়া সিরিজের শেষ ম্যাচে ম্যাচসেরা হয়েছেন ৬১ রানের দ্যুতিময় ইনিংস খেলে

ওয়ানডে সিরিজ জেতার পর সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে হাসিখুশি লিটন দাসকেই দেখা গিয়েছিল। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো খেলার পরও পুরো সিরিজটা তাঁর বসে বসে কেটেছে। তাঁর জায়গায় টানা তিন ম্যাচ সুযোগ পেয়েছেন এনামুল হক। দলের জয়ে ন্যূনতম অবদান রাখার সুযোগ মেলেনি, যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই এটা হতাশার। তবুও সেদিন লিটন খুশি, দল সিরিজ জিতেছে।

 

‘আশা হারিয়ে ফেলেননি তো’—ওয়ানডে সিরিজে না সুযোগ পাওয়া লিটনকে প্রশ্ন করতেই তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, ‘যদি হারিয়ে ফেলি?’ প্রশ্নটা যে নিছক রসিকতার সুরে, সেটি তাঁর হাসিমুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। আজ ফ্লোরিডার লডারহিলেই প্রমাণ দিলেন, বাংলাদেশ দলের তরুণ ওপেনার আশা হারাননি। আশা হারাননি বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত লিটনকে দেখা গেল।

 

প্রথম ম্যাচে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও নিভে যাওয়া, দ্বিতীয় ম্যাচে সেটিও পারেননি। তবুও লিটনে আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ফ্লোরিডায় ফাইনালে রূপ নেওয়া সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ওপেনার সেই আস্থার প্রতিদান দিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে হলে গড়তে হবে বড় স্কোর। আর বড় স্কোর গড়তে চাই দুর্দান্ত শুরু। এ বার্তা মাথায় রেখে লিটন ইনিংস শুরু করলেন বাউন্ডারি মেরে।

 

লিটনের রুদ্ররূপ দেখা গেল অ্যাশলি নার্সের করা দ্বিতীয় ওভারে। টানা দুই ছক্কা আর চার খাওয়ার পর হতাশায় ক্যারিবীয় অফস্পিনার যে ‘শব্দ’টা উচ্চারণ করলেন, আইসিসি আজ তাঁকে জরিমানা করে কি না, সেটিই দেখার (একই কারণে আইসিসি কিন্তু বাংলাদেশের রুবেল ও আবু হায়দারকে জরিমানা করেছে)। উইন্ডিজ খেলোয়াড়দের আরও হতাশায় ডোবাতে লিটনের ব্যাট চলতে থাকল। বাংলাদেশ যে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে ৫০ পেরোল, আর পাওয়ার প্লেটা অসাধারণভাবে কাজে লাগাল, তাতে বড় অবদান এ তরুণ ওপেনারেরই।

ThemesBazar.Com

     আরও সংবাদ